Motivation – PDF Notes For B.Ed

5/5 - (1 vote)

Unit-II: Motivation

  • Extrinsic and Intrinsic Motivation
  • Theories of Motivation- Maslow, Weiner and McClelland.
  • Factors affecting Motivation –Self Efficacy, Locus of Control, Anxiety, Curiosity and their classroom implications.

Extrinsic and Intrinsic Motivation

প্রেরণা (Motivation): প্রেরণা হল এমন একটি অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক শক্তি যা একজন ব্যক্তিকে কোনো কাজ সম্পাদনে উদ্দীপ্ত করে। এটি শেখা, কাজ করা ও লক্ষ্য অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি।

Intrinsic Motivation (অন্তঃপ্রেরণা)

অর্থ: অন্তঃপ্রেরণা হলো এমন এক ধরণের প্রেরণা যা ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ আগ্রহ, আনন্দ, সন্তুষ্টি ও ব্যক্তিগত তৃপ্তি থেকে উদ্ভূত হয়।

উদাহরণ: একজন ছাত্র শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের আনন্দে পড়াশোনা করছে, পরীক্ষার ফলের জন্য নয়।

বৈশিষ্ট্য:

  • কাজের প্রতি ব্যক্তিগত আগ্রহ ও আনন্দ থাকে।
  • বাহ্যিক পুরস্কার বা চাপের প্রয়োজন হয় না।
  • আত্ম-উন্নয়ন, কৌতূহল, শেখার আনন্দ ইত্যাদি প্রধান প্রেরণা।
  • দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর শেখা নিশ্চিত করে।

শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্ব:

  • শিক্ষকরা অন্তঃপ্রেরণা জাগাতে পারেন প্রশ্নভিত্তিক শিক্ষণ, প্রকল্প কাজ ও প্রশংসার মাধ্যমে।
  • শিক্ষার্থীর creative thinking, self-learning, ও problem-solving ability বৃদ্ধি পায়।

Extrinsic Motivation (বহিঃপ্রেরণা)

অর্থ: বহিঃপ্রেরণা হলো এমন প্রেরণা যা বাহ্যিক পুরস্কার, চাপ বা শাস্তি দ্বারা উদ্ভূত হয়। এখানে কাজটি করা হয় বাহ্যিক লাভ বা ক্ষতি এড়ানোর জন্য, নিজের আনন্দের জন্য নয়।

উদাহরণ: একজন ছাত্র ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য বা শিক্ষক/অভিভাবকের প্রশংসা পেতে পড়াশোনা করছে।

বৈশিষ্ট্য:

  • বাহ্যিক পুরস্কার যেমন টাকা, নাম, গ্রেড, প্রশংসা ইত্যাদির জন্য কাজ করা হয়।
  • কাজটি করতে ব্যক্তিগত আগ্রহের অভাব থাকতে পারে।
  • চাপ, প্রতিযোগিতা বা সামাজিক প্রত্যাশা থেকেও এটি আসতে পারে।
  • স্বল্পমেয়াদে ফলপ্রসূ হলেও দীর্ঘমেয়াদে প্রেরণা কমে যেতে পারে।

শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্ব:

  • শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে উৎসাহিত করে।
  • তবে অতিরিক্ত বহিঃপ্রেরণা ব্যবহার করলে অন্তঃপ্রেরণা হ্রাস পেতে পারে।

তুলনামূলক বিশ্লেষণ (Comparison Table):

বিষয়Intrinsic Motivation (অন্তঃপ্রেরণা)Extrinsic Motivation (বহিঃপ্রেরণা)
উৎসঅভ্যন্তরীণ আগ্রহ ও আনন্দবাহ্যিক পুরস্কার বা চাপ
উদ্দেশ্যশেখার আনন্দ, আত্মতৃপ্তিপুরস্কার পাওয়া বা শাস্তি এড়ানো
উদাহরণনিজের আনন্দে পড়াশোনা করাপরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য পড়া
স্থায়িত্বদীর্ঘমেয়াদীস্বল্পমেয়াদী
শেখার মানগভীর ও স্থায়ী শেখাঅস্থায়ী ও লক্ষ্যনির্ভর শেখা
শিক্ষকের ভূমিকউৎসাহ ও অনুসন্ধানমূলক শিক্ষা প্রদানপুরস্কার ও শাস্তির মাধ্যমে প্রেরণা সৃষ্টি

শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় অন্তঃপ্রেরণা ও বহিঃপ্রেরণা উভয়েরই ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে একজন দক্ষ শিক্ষক শিক্ষার্থীর অন্তঃপ্রেরণা বিকাশে বেশি গুরুত্ব দেন, কারণ এটি দীর্ঘস্থায়ী শেখা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়ক। বহিঃপ্রেরণা প্রাথমিক উৎসাহ দিতে পারে, কিন্তু অন্তঃপ্রেরণাই শিক্ষার্থীর সত্যিকারের শেখার আগ্রহ জাগিয়ে তোলে।

Theories of Motivation- Maslow, Weiner and McClelland

Maslow’s Hierarchy of Needs Theory

Theories of Motivation – Maslow’s Hierarchy of Needs Theory (ম্যাসলো-র প্রয়োজনের শ্রেণিবিন্যাস তত্ত্ব)

তিনি মানুষের প্রেরণার (Motivation) উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য Hierarchy of Needs Theory বা Need Hierarchy Theory উপস্থাপন করেন। মানুষের প্রয়োজনগুলি একটি পিরামিড (Pyramid) আকারে সাজানো, যেখানে নিচের স্তরের প্রয়োজন পূর্ণ না হলে উপরের স্তরের প্রয়োজন সক্রিয় হয় না। প্রয়োজনগুলোকে তিনি পাঁচটি স্তরে (five levels) ভাগ করেছেন।

1. Physiological Needs (শারীরিক/শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজন):

  • এগুলো মানুষের জীবনধারণের মৌলিক প্রয়োজন
  • যেমন: খাবার (food), পানি (water), বায়ু (air), ঘুম (sleep), আশ্রয় (shelter)।
  • এগুলো পূরণ না হলে অন্য কোনো প্রয়োজন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে না।

2. Safety Needs (নিরাপত্তা প্রয়োজন):

  • শারীরিক প্রয়োজন মিটলে মানুষ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা খোঁজে।
  • যেমন: চাকরির স্থায়িত্ব, আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শারীরিক সুরক্ষা।
  • উদাহরণ: ছাত্রের ভালো ফলের উদ্দেশ্য ভবিষ্যতের চাকরির নিরাপত্তা।

3. Social Needs / Love and Belongingness (সামাজিক প্রয়োজন):

  • মানুষ সামাজিক প্রাণী; তাই সে ভালোবাসা, স্নেহ, বন্ধুত্ব ও সামাজিক স্বীকৃতি চায়।
  • যেমন: পরিবার, বন্ধু, দল বা সমাজে গ্রহণযোগ্যতা।
  • শিক্ষার্থীরা স্কুলে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও শিক্ষকের সহানুভূতি চায়।

4. Esteem Needs (মর্যাদা বা সম্মান প্রয়োজন):

  • এ পর্যায়ে মানুষ আত্মসম্মান (self-respect)অন্যদের কাছ থেকে স্বীকৃতি (recognition) চায়।
  • দুটি দিক আছে: Self-esteem: আত্মবিশ্বাস, অর্জনের অনুভূত, Esteem from others: প্রশংসা, সম্মান, মর্যাদা
  • যেমন: শিক্ষার্থী ভালো ফল করে বা পুরস্কার পেয়ে সম্মানবোধ পায়।

5. Self-Actualization Needs (স্ব-বাস্তবায়ন প্রয়োজন):

  • এটি সর্বোচ্চ স্তর, যেখানে মানুষ নিজের সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ চায়।
  • যেমন: সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান, নতুন ধারণা সৃষ্টি, আত্মসন্তুষ্টি।
  • শিক্ষার্থীর নিজের সেরা সংস্করণে পৌঁছানোর আকাঙ্ক্ষা।

Theories of Motivation- Weiner

একজন ব্যক্তি কেন সফল বা ব্যর্থ হলো – সে নিজে সেই কারণ কীভাবে ব্যাখ্যা করে, তা-ই তার ভবিষ্যৎ আচরণ ও প্রেরণাকে প্রভাবিত করে। মানুষ তার সাফল্য বা ব্যর্থতার কারণকে তিনটি মাত্রা (dimensions) অনুযায়ী ব্যাখ্যা করে –
Locus of Control (নিয়ন্ত্রণের উৎস)
Stability (স্থিতিশীলতা)
Controllability (নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা)

Weiner’s Three Dimensions of Attribution (তিনটি মাত্রা):

1. Locus of Control (নিয়ন্ত্রণের উৎস): কারণটি অভ্যন্তরীণ (internal) না বাহ্যিক (external), তা বোঝায়।

ধরণউদাহরণ
Internal (অভ্যন্তরীণ)নিজের দক্ষতা, প্রচেষ্টা, আত্মবিশ্বাস ইত্যাদি
External (বাহ্যিক)ভাগ্য, পরিস্থিতি, শিক্ষক, প্রশ্নপত্রের কঠিনতা

উদাহরণ: “আমি ব্যর্থ হয়েছি কারণ আমি যথেষ্ট পড়িনি” — অভ্যন্তরীণ কারণ। “আমি ব্যর্থ হয়েছি কারণ প্রশ্ন কঠিন ছিল” — বাহ্যিক কারণ।

2. Stability (স্থিতিশীলতা): কারণটি স্থিতিশীল (stable) না অস্থির (unstable), অর্থাৎ সময়ের সাথে পরিবর্তনযোগ্য কিনা।

ধরণউদাহরণ
Stable (স্থিতিশীল)ক্ষমতা (ability), বুদ্ধিমত্তা
Unstable (অস্থির)প্রচেষ্টা (effort), ভাগ্য (luck)

উদাহরণ: “আমি ভালো ফল করেছি কারণ আমি বুদ্ধিমান” (স্থিতিশীল)। “আমি ভালো ফল করেছি কারণ আমি অনেক পরিশ্রম করেছি” (অস্থির)।

3. Controllability (নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা): কারণটি ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে (controllable) কিনা তা বোঝায়।

ধরণউদাহরণ
Controllable (নিয়ন্ত্রণযোগ্য)পরিশ্রম, অধ্যবসায়, মনোযোগ
Uncontrollable (নিয়ন্ত্রণের বাইরে)ভাগ্য, শিক্ষক, পরিবেশ

উদাহরণ: “আমি চেষ্টা করিনি তাই ব্যর্থ হয়েছি” (controllable)। “আমি অসুস্থ ছিলাম তাই ব্যর্থ হয়েছি” (uncontrollable)।

Motivation-এর উপর প্রভাব (Effect on Motivation):

  • যদি কেউ সাফল্যকে নিজের পরিশ্রম বা দক্ষতার ফল মনে করে, তবে তার প্রেরণা (motivation) বৃদ্ধি পায়।
  • যদি কেউ ব্যর্থতাকে বাহ্যিক কারণ বা ভাগ্যের দোষ মনে করে, তবে তার প্রেরণা হ্রাস পায়।
  • স্থিতিশীল অভ্যন্তরীণ কারণ (যেমন “আমি বুদ্ধিমান”) বিশ্বাস আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
  • অস্থির বা বাহ্যিক কারণ বিশ্বাস করলে মানুষ সহজে হতাশ হয়।

Weiner-এর Attribution Theory শেখায় যে প্রেরণার মূল নিহিত রয়েছে কোনো ঘটনার কারণ আমরা কিভাবে ব্যাখ্যা করি তার মধ্যে। একজন শিক্ষার্থী যদি নিজের সাফল্য ও ব্যর্থতার দায়িত্ব নিজের হাতে নেয়, তবে তার শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। অতএব, শিক্ষকের কাজ হলো শিক্ষার্থীদের positive attribution pattern গড়ে তুলতে সহায়তা করা, যাতে তারা প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে প্রেরণা অর্জন করে।

McClelland’s Need Theory of Motivation

Theories of Motivation – McClelland’s Need Theory of Motivation (ম্যাকক্লেল্যান্ডের প্রয়োজন তত্ত্ব)

David C. McClelland (1961) একজন বিখ্যাত আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী, যিনি মানুষের প্রেরণার ব্যাখ্যা দিতে Need Theory of Motivation বা Three-Need Theory উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, মানুষের আচরণ ও কাজ করার উৎসাহ তিনটি প্রধান মনস্তাত্ত্বিক প্রয়োজন (Psychological Needs) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই প্রয়োজনগুলো হলো —
1. Need for Achievement (অর্জনের প্রয়োজন): এটি এমন একটি প্রেরণা যা মানুষকে সাফল্য অর্জন, উচ্চ মান স্থাপন এবং নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
2. Need for Affiliation (সম্পর্কের প্রয়োজন): এই প্রয়োজন মানুষকে অন্যদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সহযোগিতা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে উৎসাহিত করে।
3. Need for Power (ক্ষমতার প্রয়োজন): এটি এমন একটি প্রেরণা যা মানুষকে অন্যদের প্রভাবিত (influence), নিয়ন্ত্রণ (control) বা নেতৃত্ব (leadership) করতে অনুপ্রাণিত করে।

এই তিনটি প্রয়োজন ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভিন্ন হয় এবং এগুলোর শক্তি নির্ধারণ করে একজন ব্যক্তির motivation level ও performance।

McClelland’s Model Summary:

প্রয়োজনের নামমূল লক্ষ্যবৈশিষ্ট্যশিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োগ
Achievement (nAch)সাফল্য অর্জনঝুঁকি গ্রহণ, পরিশ্রম, feedback পছন্দলক্ষ্য নির্ধারণ ও প্রতিক্রিয়া প্রদান
Affiliation (nAff)সামাজিক সম্পর্কবন্ধুত্ব, সহযোগিতা, গ্রহণযোগ্যতাগ্রুপ ওয়ার্ক ও সহপাঠী সহযোগিতা
Power (nPow)প্রভাব ও নেতৃত্বনিয়ন্ত্রণ, নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধনেতৃত্বমূলক কাজের সুযোগ প্রদান

McClelland-এর Need Theory of Motivation শেখায় যে মানুষের আচরণ তিনটি মূল প্রয়োজন দ্বারা চালিত — অর্জন, সম্পর্ক ও ক্ষমতা। শিক্ষাক্ষেত্রে এই তত্ত্ব শিক্ষকদের সহায়তা করে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত প্রেরণার ধরন চিনে নিয়ে তাদের উপযুক্তভাবে উদ্বুদ্ধ করতে, যাতে তারা শেখার প্রতি আরও আগ্রহী ও সফল হয়।

Factors affecting Motivation and their implications

প্রেরণাকে প্রভাবিতকারী উপাদানসমূহ – আত্ম-দক্ষতা, নিয়ন্ত্রণের উৎস, উদ্বেগ, কৌতূহল ও শ্রেণিকক্ষ প্রয়োগ-

শিক্ষার্থীর Motivation (প্রেরণা) শেখার সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু প্রেরণাকে প্রভাবিত করে এমন অনেক মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপাদান (psychological and social factors) রয়েছে।

1. Self-Efficacy (আত্ম-দক্ষতা):- Bandura (1977) এর মতে, Self-Efficacy হলো একজন ব্যক্তির নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস — “আমি পারব” এই আত্মবিশ্বাস। অর্থাৎ, কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার নিজের যোগ্যতার প্রতি বিশ্বাসই আত্ম-দক্ষতা।

বৈশিষ্ট্য:

  • উচ্চ আত্ম-দক্ষতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী কঠিন কাজেও আগ্রহী থাকে।
  • নিম্ন আত্ম-দক্ষতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী সহজেই হাল ছেড়ে দেয়।
  • এটি ব্যক্তির লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়কে প্রভাবিত করে।

Classroom Implications (শ্রেণিকক্ষ প্রয়োগ):

  • Self-efficacy বাড়াতে peer learningmodeling ব্যবহার করা যায়
  • শিক্ষক শিক্ষার্থীদের Positive feedback ও উৎসাহ দেবেন।
  • ছোট ছোট সাফল্যের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলবেন।
  • “You can do it” ধরনের কথায় শিক্ষার্থীর আত্ম-দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

2. Locus of Control (নিয়ন্ত্রণের উৎস)

Julian Rotter (1966) অনুযায়ী, Locus of Control মানে হলো মানুষ নিজের জীবনের ফলাফলকে কোথায় নিয়ন্ত্রণাধীন মনে করে।
এটি দুই রকম —

ধরনঅর্থউদাহরণ
Internal Locus of Controlব্যক্তি বিশ্বাস করে সাফল্য বা ব্যর্থতা তার নিজের প্রচেষ্টার ফল“আমি পরিশ্রম করেছি, তাই পেরেছি।”
External Locus of Controlব্যক্তি বিশ্বাস করে ভাগ্য বা অন্য কেউ তার ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করে“আমি ভাগ্যবান ছিলাম, তাই সফল হয়েছি।”

Classroom Implications:

  • শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শেখাবেন যে তাদের সাফল্য তাদের নিজ প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল
  • Internal control বাড়ানোর জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
  • “Effort leads to success” এমন মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।

3. Anxiety (উদ্বেগ): Anxiety হলো মানসিক চাপ বা ভয় যা শিক্ষার্থীর শেখার কার্যকারিতা কমাতে পারে। এটি Test Anxiety, Performance Anxiety, বা Social Anxiety আকারে প্রকাশ পেতে পারে।

বৈশিষ্ট্য:

  • মৃদু উদ্বেগ শেখার আগ্রহ বাড়াতে পারে।
  • অতিরিক্ত উদ্বেগ (high anxiety) মনোযোগ কমায় ও স্মৃতি দুর্বল করে।
  • শিক্ষার্থীরা ব্যর্থতার ভয় পায় ও আত্মবিশ্বাস হারায়।

Classroom Implications:

  • শিক্ষককে সহায়ক ও ইতিবাচক শ্রেণিকক্ষ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
  • Fear of failure কমানোর জন্য উৎসাহমূলক মূল্যায়ন (formative assessment) ব্যবহার করা উচিত।
  • Relaxation techniquesstress-free learning কার্যক্রম সাহায্য করতে পারে।
  • অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা এড়িয়ে cooperative learning উৎসাহিত করা উচিত।

4. Curiosity (কৌতূহল): Curiosity হলো শেখার মূল চালিকা শক্তি। এটি নতুন কিছু জানার, আবিষ্কার করার এবং সমস্যা সমাধানের মানসিক তাগিদ।
Berlyne (1960)-এর মতে, curiosity জাগে যখন ব্যক্তি কিছু নতুন, অদ্ভুত বা অসম্পূর্ণ বিষয় দেখে।

বৈশিষ্ট্য:

  • শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করতে ভালোবাসে।
  • নতুন তথ্য, চিত্র, কার্যক্রম ইত্যাদিতে আগ্রহী হয়।
  • এটি শেখার প্রতি অন্তঃপ্রেরণা (intrinsic motivation) বাড়ায়।

Classroom Implications:

  • Projects, experiments, and discovery learning curiosity বাড়ায়।
  • শিক্ষক প্রশ্নভিত্তিক শিক্ষণ (inquiry-based learning) প্রয়োগ করবেন।
  • পাঠে নতুন ও আকর্ষণীয় উদাহরণ ব্যবহার করবেন।
  • শিক্ষার্থীদের “Why” ও “How” প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেবেন।

শিক্ষার্থীর প্রেরণাকে (motivation) বিভিন্ন মানসিক উপাদান গভীরভাবে প্রভাবিত করে। Self-efficacy আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, Locus of control দায়িত্ববোধ শেখায়, Curiosity শেখার আনন্দ জাগায়, আর Anxiety প্রেরণাকে কখনো বাড়ায়, কখনো কমায়। একজন দক্ষ শিক্ষক এই উপাদানগুলিকে বুঝে শিক্ষণ কৌশল (teaching strategies) প্রয়োগ করতে পারলেই শিক্ষার্থীর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ও ইতিবাচক motivation সৃষ্টি করা সম্ভব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top